বালুর গাড়ির ধাক্কায় একজন রিক্সাচালক মারা গেল আজ
সকালে।রিক্সাওয়ালা মরছে, তাই কোন সাড়াশব্দ নাই। নেতা
টাইপের কেউ মরলে হয়তো আন্দোলন-টান্দোলন হইতো।বালুর
ব্যবসা বৈধ হতে পারে, কিন্তু চুনারুঘাটের রাস্তার জন্য
উপযুক্ত না। মাত্র ১৮ ফুট প্রশ্বস্তের একটি রাস্তায় বালুর
ট্রাক ঢুকলে যানজট তো হবেই। দুর্বল অবকাঠামোর রাস্তায়
২০/২৫ টনের ট্রাক ঢুকলে রাস্তা তো ভাঙবেই।অথচ বালু থেকে
সরকার যে পরিমান রাজস্ব পায়, শুধুমাত্র ওই টাকা দিয়েই
একটি বাইপাস সড়ক তৈরি করা যেত।বালুর টাকার সাথে
আরো কিছু টাকা যোগ করে বর্তমান সড়কের দুইদিকে কিছু
জমি অধিগ্রহণ করে রাস্তার প্রশ্বস্থতা বাড়ানো যেত। এতে
দুর্ঘটনা এবং যানজট দুইটাই কমত ।চুনারুঘাটে যানজট কমবেনা,
কারন সবাই শুধু ত্যানা পেচায়। বালুখোরদের জিজ্ঞেস করলে
বলে, সিএনজি টমটম সরান। সিএনজি টমটমকে জিজ্ঞেস
করলে বলে, বালুর ট্রাক সরান।দুইপক্ষকে একত্র করে
জিজ্ঞেস করলে বলে, রাস্তার পাশে লোড-আনলোড সরান।
অথচ সবাই যদি সমস্বরে বলত, বাইপাস রোড করেন অথবা
রাস্তার প্রশ্বস্ততা বাড়ান। তাহলেই সমাধান হয়ে যেত।কিন্তু
কার কাছে বলবে এসব কথা? একপক্ষের এখন সময় ভালো, তাই
তারা ধুমসে বালু খাইতেছে। আরেকপক্ষের এখন সময় খারাপ,
তাই তারা বালু নিয়ে মাঝে মাঝে চিল্লায়, আবার অজানা
কারনে অফ হয়ে যায়। তাদের যখন সময় ভালো ছিল, তারাও
তখন বালু খাইত। ভবিষ্যতে ভাল সময় আসলে, আবার তারা বালু
খাবে।বাস্তবতা হচ্ছে, সুযোগের অভাবে সবাই সৎ। সুযোগ
আসলেই মুখোশ উন্মোচন হয়।
0 Comments